রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৩০
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

করোনায় ঘরে আইসোলেশনে থেকেই সুস্থ হওয়া সম্ভব

অনলাইন ডেস্ক  প্রানঘাতি মহামারী করোনায় আক্রান্ত হলে হাসপাতালে না গিয়ে বাসায় থেকেই করোনার সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়া সম্ভব বলে জানালেন করোনায় আক্রান্ত এক চিকিত্সক। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে এ কথাই জানালেন কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের চিকিত্সক ডা. মোহাম্মদ আতিয়ার রহমান।

শুরু থেকেই কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিত্সা করছিলেন এ চিকিত্সক। গত ১৫ এপ্রিল তিনি জানতে পারেন যে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে তার দেহে। এতে তিনি ভয় পাননি। বরং সাহসের সঙ্গে রোগের পর্যায় পেরিয়ে এসেছেন।

ডা. আতিয়ার বলেন, প্রথমে খবরটা শুনে একটু ভয় পেয়েছি। রাতে ঘুম আসে না। সহকর্মীদের সমবেদনা, সান্ত্বনাতেও কোনো সাহস জোগায়নি। চোখের সামনে কয়েক জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীকে মারা যেতে দেখলাম। সেই অনুভূতি বলে বোঝানোর নয়।

তিনি বলেন, আমার করোনার লক্ষণ ছিল না। কোনো কারণ ছাড়াই পরীক্ষা করে জানতে পারি যে, আমি কোভিড-১৯ আক্রান্ত। যেহেতু আমার লক্ষণ ছিল না তাই হাসপাতালে না থেকে আলাদা জায়গায় আইসোলেশনে থাকতে শুরু করি এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছি।

তিনি বলেন, লক্ষণ ছাড়াই এখন অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এতে ভয় না পেয়ে সাহসের সঙ্গে এ রোগকে মোকাবিলা করতে হবে। বাসায় একা বিশ্রামে থেকেই এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। শুধু প্রয়োজন সাহস। সঠিক নিয়ম মেনে হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে। তাহলে সাত থেকে ১৪ দিনে হাসপাতালে না গিয়েও সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব।